খাঁটি দানাদার গাওয়া ঘি
সিরাজগঞ্জের মিষ্টি কড়া জ্বালের খাঁটি "দানাদার গাওয়া ঘি"
ঘি-কে পুষ্টিবিজ্ঞানে 'সুপারফুড' বলা হয় কারণ এতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু ভিটামিন এবং সুস্থ ফ্যাট থাকে।
ঘি ভারতীয় উপমহাদেশের
একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার। এটি হাজার হাজার বছর ধরে ভারতীয় উপমহাদেশের সংস্কৃতির অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা
শাস্ত্রে দেশি ঘি'র বিশেষ স্থান
রয়েছে এবং এটি বিভিন্ন ঔষধি
গুণাবলীর জন্য প্রশংসিত।
সিরাজগঞ্জের মাঠে চরে সবুজ ঘাস খাওয়া দেশী গরুর
দুধ সংগ্রহ করে, সেই দুধ থেকে ক্রিম আলাদা করে মিষ্টি কড়া জ্বাল দিয়ে তৈরি এই ঘি। ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে বানানো হয় যেন, সর্বোচ্চ পুষ্টি বজায় থাকে।
কোনো
কেমিক্যাল,
প্রিজারভেটিভ
বা কৃত্রিম ফ্লেভার/রং যোগ করা হয়নি।
অর্ডার করতে সরাসরি ফোন করে অর্ডার করতে পারেন। অথবা, আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে মেসেঞ্জারে মেসেজ করে অথবা হোয়াটস্এ্যাপ নাম্বারে কল করেও অর্ডার করতে পারেন।
মূল্যঃ প্রতি কেজি = ১৬০০/- টাকা
৫০০গ্রাম=৮০০/-টাকা
মোবাইল + WhatsApp: +88 01301047350
ফেসবুক পেজঃ f/m.lapinati.bd
"ঘি" এর উপকারীতাঃ
২) হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক
৩) ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
৪) ত্বক ও চুলের যত্নে কার্যকর
৫) হাড় ও মাংসপেশি শক্তিশালী করে
৬) ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে
🌿 উপাদানঃ
১০০% হালাল এবং খাঁটি ঘি "বিএসটিআই" অনুমোদিত সোর্স থেকে সংগৃহীত।
"ঘি" হেলদি ফ্যাট এর উৎস, শরীরকে ফ্যাট বার্নে অভ্যস্ত করে।
"ঘি" Fasting/রোজায় সাপোর্ট দেয় - অল্প পরিমাণ "ঘি" খেলে ক্ষুধা কমে ও এনার্জি বাড়ে।
দেশি ঘি হজম প্রক্রিয়া সহজ করে এবং পাকস্থলীর স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়ক। ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায় এবং হার্ট হেলথ সাপোর্ট করে। মেটাবলিজম উন্নত করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে। ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে ব্যবহার করলে নরম ও উজ্জ্বল রাখে। চুলে মালিশ করলে চুল মজবুত হয় এবং প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আসে। ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন A, D, E সমৃদ্ধ হওয়ায় হাড় ও পেশি সুস্থ রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্যাটি অ্যাসিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
"ঘি" এর ব্যবহার পদ্ধতিঃ
২) সরাসরি ১ চা চামচ খাওয়া যায়, বিশেষ করে সকালে।
৪) ত্বক ও চুলের জন্য প্রাকৃতিক কেয়ার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
৫) হালকা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে পান করা যেতে পারে।
ওজন কমাতে ঘি খাওয়ার নিয়ম ও বিজ্ঞান
অনেকে মনে করেন ঘি খেলে ওজন বাড়ে, কিন্তু আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান এবং Ayurveda বলছে ভিন্ন কথা। ঘি-তে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড (CLA) এবং মিডিয়াম চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড (MCFAs) শরীরের জমে থাকা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। Indus Valley Ayurvedic Centre.
ওজন কমানোর কার্যকর উপায়সমূহ:
- পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ (Moderation): ওজন কমাতে চাইলে দিনে ১-২ চা-চামচ (৫-১০ গ্রাম) ঘি খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এর বেশি খেলে ক্যালোরি বেড়ে গিয়ে ওজন বাড়তে পারে।
- খালি পেটে কুসুম গরম পানিতে: সকালে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ ঘি মিশিয়ে খেলে এটি মেটাবলিজম বা হজম প্রক্রিয়া দ্রুত করে, যা ফ্যাট বার্ন করতে সাহায্য করে।
- রিফাইন তেলের বিকল্প হিসেবে: সাধারণ সয়াবিন বা রিফাইন তেলের বদলে রান্নায় ঘি ব্যবহার করলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং আজেবাজে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে।
- শরীরের টক্সিন দূর করতে: ঘি শরীরের বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) বের করে দেয়, যা পরোক্ষভাবে ওজন কমাতে সহায়ক।


No comments