সুন্দরবনের খলিশা ফুলের মধু
বসন্ত সুন্দরবনে ফুল নিয়ে আসে। প্রথমে খলিশা গাছের ফুল, তারপর পশুর গাছে ফুল, এরপর গোরান গাছের ফুল ফোটে। আরও অসংখ্য
নাম না জানা ফুল ফোটে সুন্দরবনে। এর মধ্যে আবার অসংখ্য গাছ আছে যা ঔষধি গুণ সম্পন্ন।
সেইসব ঔষধি গাছের ফুল থেকেও মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে মধু তৈরী করে। আর মৌয়ালরা সুন্দরবনের
রাজা রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চোখকে ফাকি দিয়ে জীবন বাজী রেখে সেই মধু সংগ্রহ করেন। মাঝে
মধ্যে ২/৪ জনের প্রাণও চলে যায় বন রাজার হাতে। তবুও মধু সংগ্রহের নেশা থামে না। আর
এত ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়ে থাকি সুন্দরবনের ঔষধিগুণ সম্পন্ন মধু। যার দামও অন্যান্য
মধুর চেয়ে বেশী থাকে সবসময়। প্রতি বছর সুন্দরবনের বুনো মৌচাক থেকে প্রায় দুইশ টনেরও বেশি মধু এবং কিছু পরিমাণে মোম সংগ্রহ করে
মৌয়ালরা। সাধারণতঃ যখন যে ফুলের সময় সেই সময়ে যদি ঐ শ্রেণীর ফুলের
রেণু/নেকটার মৌমাছি বেশী সংগ্রহ করে যেমন, খলিশা ফুলের রেণু/নেকটার যদি মৌমাছি ৬০ থেকে
৭০ ভাগ সংগ্রহ করে তবে সেই মধুর নাম খলিশা ফুলের মধু। অন্যান্য ফুলের ক্ষেত্রেও একই
নিয়ম। বাকী ৪০ বা ৩০ ভাগ অন্যান্য বুনো ফুলের রেণু/নেকটার সংগ্রহ করে মৌমাছি। এজন্য
সুন্দরবনের মধু বিশেষতঃ খলিশা ফুলের মধু হয় অন্যান্য ফুলের মধুর চেয়ে ঔষধি গুণে এবং
স্বাদে অতুলনীয়।
অর্ডার করতে সরাসরি ফোন করে অর্ডার করতে পারেন। অথবা, আমাদের ফেসবুক পেজ থেকে মেসেঞ্জারে মেসেজ করে অথবা, হোয়াটস্এ্যাপ নাম্বারে কল করেও অর্ডার করতে পারেন।
মূল্যঃ প্রতি কেজি =১৪০০/- টাকা
৫০০গ্রাম=৭০০/-টাকা
মোবাইল + WhatsApp: +88 01301047350
ফেসবুক পেজঃ f/m.lapinati.bd
💪"লা পিনাটি" র মধুময় জীবন💪
🌿সুন্দরবনের গহীন জঙ্গলের মধু🌿
🌿সরিষা ফুলের মধু🌿
🍯 অল্পকথায় মধুর উপকারীতাঃ
মধুর উপকারীতা অল্পকথায় বলে শেষ করা যাবে না। মধু শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, মস্তিষ্ক
ও ত্বকের উপকার করে, হরমোন উৎপাদনে সহায়তা করে, স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারীতায় সহায়তা
করে, মধুতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
এছাড়া মধুতে থাকা বিভিন্ন ধরনের খনিজ ও মিনারেলগুলোও আমাদের শরীরকে বিভিন্ন ধরনের রোগের
বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে। এছাড়াও রক্তে শর্করা
নিয়ন্ত্রণ, প্রোবায়োটিক, সুন্দর ও সুস্থ ত্বক, আলসার কমায়, কাশি প্রশমিত করে, পোড়া নিরাময় করে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, ক্ষত সারায়, পুষ্টি সরবরাহ করে এবং অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এরকম অসংখ্য গুণে গুনান্নিত মধু আমাদের জীবনকে করে তোলে মধুময়।
💪মধুতে থাকা ভিটামিন ও মিনারেলগুলোঃ
ভিটামিন- বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি এবং মিনারেলগুলো-
পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক ও ফসফরাস।
🌿 উপাদানঃ
১০০% হালাল এবং খাঁটি মধু "বিএসটিআই" অনুমোদিত সোর্স থেকে সংগৃহীত।
💪 উপকারিতাঃ
⚡ প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
🍯 পাকস্থলী ও হজমে সহায়তা করে
🧄 লিভার ও কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে
✨ ত্বক উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যবান রাখে
❤️ হৃদপিণ্ড ও রক্ত চলাচল সঠিক রাখতে সহায়ক
🍯 শারীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়ায়
🌿 অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদানে ভরপুর
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ চামচ মধু সরাসরি খান অথবা কুসুম গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে পান করুন। ঠাণ্ডা, কাশি বা গলা ব্যথা হলে দিনে ২-৩ বার ব্যবহার করা যেতে পারে। চাইলে দুধ, চা বা লেবু পানিতে মিশিয়ে ও ব্যবহার করা যায়।
🍯 বিশেষ টিপসঃ
💪 সকালে খালি পেটে ১ চামচ কুসুম গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
🌿 রুটি, বিস্কিট, পাউরুটি, পরোটা সাথে খেতে পারেন বা দুধ, চা, শরবতে মিশিয়ে খেতে পারেন।
🍯 সামান্য পরিমান ব্যবহারেও শিশুদের জন্য উপকারী।
মধু সংরক্ষণের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদ্বতি অনুসরণ করা হলে এটি তার গুণাগুণ এবং স্বাদ দীর্ঘ সময় ধরে বজায় থাকে। নিচে মধু সংরক্ষণের কিছু কার্যকরী পদ্ধতি দেয়া হলঃ
🌿 এয়ারটাইট পাত্র ব্যবহারঃ মধু সংরক্ষণের জন্য এয়ারটাইট (হাওয়াবিহীন) পাত্র ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। এটি মধুকে বাইরে থেকে বাতাস ও আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে, যা মধুর মান এবং গুণমান বজায় রাখতে সাহায্য করে। কাঁচের জার বা প্লাস্টিকের পাত্রে মধু সংরক্ষণ করা সবচেয়ে উপযোগী।
🌿 সূর্যের সরাসরি আলো থেকে দূরে রাখাঃ মধু কখনোই সরাসরি সূর্যের আলোতে রাখা উচিত নয়। এটি মধুর স্বাদ এবং গুণাগুণ কমিয়ে দেয়। মধু dark হওয়া বা ক্রিস্টালাইজেশন (জমে যাওয়া) হতে পারে যদি তা অতিরিক্ত তাপে বা আলোতে রাখা হয়। তাই মধু রাখার স্থানে আলো আসা উচিত নয়।
🌿 বাড়তি আর্দ্রতা থেকে রক্ষাঃ মধু সংরক্ষণ করার সময় অবশ্যই আর্দ্রতা থেকে দূরে রাখতে হবে। আর্দ্রতা থাকলে মধুতে ফলিক এসিড এবং অন্যান্য মাইক্রোবিক জীবাণু বৃদ্ধি পেতে পারে। এটি মধুর গুণগত মানকে নষ্ট করতে পারে। তাই শুষ্ক পরিবেশে মধু রাখা উচিত।
🌿 ফ্রিজে না রাখাঃ যেহেতু মধু প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত থাকে, তাই এটি ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। ফ্রিজে রাখলে মধু জমে যেতে পারে, এবং এর গুণগত মানে পরিবর্তন আসতে পারে। মধুর যে ক্রিস্টালাইজেশন প্রক্রিয়া হয় তা ঠান্ডা তাপমাত্রায় আরও ত্বরান্বিত হয়, যা মধুর গা কালো হওয়া বা জমে যাওয়া অবস্থা সৃষ্টি করে।
.png)

No comments